১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

অনুমোদনবিহীন স্টাডি সেন্টার


ফটোনিউজবিডি ডেস্ক: | PhotoNewsBD

২৭ এপ্রিল, ২০২১, ৩:২৯ অপরাহ্ণ

‘লন্ডন স্কুল অব কমার্স ঢাকা (এলএসসি)’ নামে রাজধানীতে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনবিহীন একটি স্টাডি সেন্টারের খোঁজ পেয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্কুল অব কমার্সের নাম ব্যবহার করেছে এ স্টাডি সেন্টারটি।

এ স্টাডি সেন্টার থেকে যুক্তরাজ্যের ওয়ারেহাম গ্লেন্ডওয়ার বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব বেডফোর্ডশায়ার এবং স্কটিশ কোয়ালিফিকেশন অথরিটি’র অধীনে বিভিন্ন ধরনের ডিপ্লোমা, স্নাতক, মাস্টার্স এবং ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করছে।

ইউজিসি জানিয়েছে, স্টাডি সেন্টারটির নামে ২০০৭ সালে একটি ওয়েবসাইট (www.lscdhaka.org/) খোলা হয়েছে এবং শিক্ষার্থী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে, যা সম্প্রতি ইউজিসির নজরে এসেছে। ইউজিসির তথ্যমতে, এ স্টাডি সেন্টারটি পরিচালনায় সরকার ও কমিশনের অনুমোদন নেই।

স্টাডি সেন্টারটির ওয়েবসাইটটি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এটি ২০০৫ সাল হতে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। রাজধানীর গুলশান-২ এর গুলশান সেন্টার এবং বনানীর ওশান টাওয়ারে এলএসসির দুটি অফিস খোলা হয়েছে। এ দুটি কেন্দ্র থেকে বিএ (অনার্স) বিজনেস স্ট্যাডিজ, মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ), ফাউন্ডেশন ইন বিজনেস এবং প্রফেশনাল ডিপ্লোমা ইন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ডিগ্রি দেওয়া হচ্ছে। এসব কোর্সের মেয়াদ ৮ মাস থেকে ২ বছর। আগামী মে মাসে এসব কোর্সে শিক্ষার্থীদের ভর্তির বিষয়ে বলা হয়েছে।

ওয়েবসাইটে আরও বলা হয়েছে, পার্টনার ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় এলএসসি ঢাকা সাশ্রয়ী মূল্যে বিএ (অনার্স) এবং এমবিএর মতো ফাস্ট ট্র্যাক কোর্সের ডিগ্রি দিচ্ছে। এখানে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি হলে পার্টনার ইউনিভার্সিটির লন্ডন, মাল্টা, মালয়েশিয়া, শ্রীলংকাসহ আন্তর্জাতিক ক্যাম্পাসসমূহে ক্রেডিট ট্রান্সফারের সুযোগ পাবেন।

লন্ডন স্কুল অব কমার্স ঢাকা বিষয়ে ইউজিসির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য প্রসেফর ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ এর ধারা ৩(৩) ও ৩৯ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি ছাড়া বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠানের কোনো শাখা ক্যাম্পাস বা স্টাডি সেন্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি বা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনের ৪৯ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ।

তিনি ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। প্রফেসর চন্দ সরকারের সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে অনুমোদনহীন এ স্টাডি সেন্টারটি বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন।

এর আগে সৈয়দপুরে অস্তিত্বহীন বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে সতর্কবার্তা জারি এবং ‘আমেরিকান ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, ক্যালিফোর্নিয়া, ইউএসএ’ বন্ধে পদক্ষেপের আহ্বান জানায় ইউজিসি।