২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৩ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

অবশেষে জয়ের দেখা পেল অস্ট্রোলিয়া


ফটোনিউজবিডি ডেস্ক: | PhotoNewsBD

৭ আগস্ট, ২০২১, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ: ১০৪/৯ (২০ ওভার)

অস্ট্রেলিয়া: ১০৫/৭ (১৯ ওভার)

পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে এসে অশেষ কষ্টে জিতল অস্ট্রেলিয়া। ১০৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৬ বল বাকি থাকতে ৩ উইকেটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের অল্প পুঁজির সামনেও অজিদের জিততে ঘাম ঝরেছে। এই জয়ে সিরিজের সমীকরণ দাঁড়ালো ৩-১ এ। সিরিজের শেষ ম্যাচটি হবে ৯ আগস্ট; একই সময়ে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে।

১০৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই ওয়েডকে হারিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। মাঝে সাকিবের এক ওভারে ড্যান ক্রিস্টিয়ান ৫টি ৬মেরে এক লাফে রান বাড়িয়ে নেন ৩০টি। এরপর মোস্তাফিজ-মেহেদীদের দারুণ বোলিংয়ে ধস নামে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে। ৬৫ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর টার্নার-অ্যাগার ধীরে ধীরে দলকে জেতানোর দিকে। স্কোরবোর্ডে অল্প পুঁজির পর সাকিবের এক ওভারে ৩০ রানই শেষ পর্যন্ত হারের বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শরিফুলের বলে শামীমের উড়ন্ত ক্যাচে অ্যাগার ফিরলেও ততক্ষণে বড্ড বেরি হয়ে গেছে। দুজনের ৪৩ বলে ৩৪ রানের জুটি অজিদের জয়ে বড় ভূমিকা রাখে।

এই ম্যাচেও দুর্দান্ত বোলিং করেছেন মোস্তাফিজরা। ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ। স্কোরবোর্ডে আর কিছু রান হলে এই ম্যাচেও জিততে পারতো বাংলাদেশ। এ ছাড়া মেহেদী ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। সাকিব ছিলেন খরুচে। ৪ ওভারে ৫০ রান দেন তিনি।

এবার মার্শকে ফেরালেন মেহেদী

আগের তিনটি ম্যাচেই মিচেল মার্শ বাংলাদেশকে বেশ ভুগিয়েছেন। চতুর্থ ম্যাচেও সেই দিকে যাচ্ছিলেন। তবে বাধা হয়ে দাঁড়ালেন মেহেদী। অফ লেন্থে করা বল টার্ন নিয়ে ভেঙে দেয় মার্শের স্ট্যাম্প। ১৫ বলে ১১ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই অজি অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।

মোস্তাফিজের ‘ম্যাজিক শো’ চলছে

মোস্তাফিজুর রহমান দ্বিতীয় ওভারে বল হাতে নিয়ে আরেকটি উইকেট পেলেন। আগের ওভারে সাকিব আল হাসান রান আউট করলেন মোয়াসেস হেনরিকসকে। নিজের তৃতীয় ওভারে মিচেল মার্শের শট তার হাত ছুঁয়ে স্টাম্পে আঘাত করে। তখন নন স্ট্রাইক এন্ডে হেনরিকস ছিলেন লাইনের বাইরে। ৯ বল খেলে ৪ রানে আউট হন অজি ব্যাটসম্যান। পরের ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান আবার বল হাতে নিয়ে আরো একটি উইকেট পান। অ্যালেক্স ক্যারিকে এলবিডাব্লিউ করেন তিনি।

ক্রিস্টিয়ান ঝড় থামালেন মোস্তাফিজ

টানা দুই ওভারে অস্ট্রেলিয়ার দুই ব্যাটসম্যানকে মাঠছাড়া করল বাংলাদেশ। চতুর্থ ওভারে সাকিব আল হাসানকে পাঁচটি ছয় মেরে ৩০ রান তোলেন ড্যান ক্রিস্টিয়ান। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা এই ব্যাটসম্যানকে ষষ্ঠ ওভারে আউট করেন মোস্তাফিজুর রহমান। ১৫ বলে ১ চার ও ৫ ছয়ে ৩৯ রান করেছিলেন তিনি। বাংলাদেশি পেসারের ফুলার ডেলিভারিতে ড্রাইভ করতে গিয়ে শামীম হোসেনের সহজ ক্যাচ হন। প্রথম ওভারেই বাজিমাত করলেন কাটার মাস্টার, রান তো দেনইনি, নিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। আগের ওভারে অজি ব্যাটসম্যান বেন ম্যাকডারমটকে (৫) এলবিডাব্লিউ করেন নাসুম আহমেদ।

প্রথম ওভারেই মেহেদীর ঘূর্ণিতে বোল্ড ওয়েড

মেহেদীর করা ইনিংসের প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে বোল্ড অজি অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড। পাওয়ার প্লেতে প্রতিটি ম্যাচেই বাংলাদেশকে উইকেট নিয়ে দিয়ে দারুণ শুরু এনে দিয়েছেন মেহেদী হাসান। চতুর্থ ম্যাচেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। মেহেদীর মায়াবী ঘূর্ণি ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে আঘাত হানে ওয়েডের স্ট্যাম্পে। ৩ বলে মাত্র ২ রান আসে অজি অধিনায়কের ব্যাট থেকে।

মেহেদীর ক্যামিওতে ১০৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ

মেহেদীর ক্যামিওতে অস্ট্রেলিয়াকে ১০৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। ফুরফুরে মেজাজে সিরিজ জয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ব্যাটিংটা ভালো হয়নি। সোয়েপসনের ঘুর্ণিতে ধস নামে; এই ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি দল। ৬১টি ডট বল খেলেছে বাংলাদেশ। মেহেদী শেষ দিকে ১টি ছয় ১টি চারে ১৬ বলে ২৩ রান করলে ১০০ পার করা সম্ভব হতো না। তার স্ট্রাইকরেট ছিল ১৪৩.৭৫।

৩৬ বলে ২৮ রান করেন মোহাম্মদ নাঈম। আফিফের ব্যাট থেকে আসে ১৭ বলে ২০ রান। সাকিব ২৬ বলে ১৫ রান করে ফেরেন সাজঘরে। শূন্য রানে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ-সোহান। শেষ পর্যন্ত ১০৪ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। সোয়েপসন ৪ ওভারে ১২ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। আর ৩ ওভারে ১৮ রান দিয়ে টাই শিকার করেন ৩টি উইকেট।

শেষ দুই বলে দুই উইকেটের পতন

শেষের দুই বলে বাংলাদেশের দুই ব্যাটসম্যানকে ফেরান টাই। ১৬ বলে ২৩ রান করা মেহেদী ডিপ মিড উইকেটে ধরা পড়েন ম্যাকডারমটের হাতে। পরের বলে একই জায়গায় ক্যাচ দেন শরিফুলও। জোড়া উইকেটের পতনে শেষ হলো বাংলাদেশের ইনিংস।

শামীমের ক্যাচ প্র্যাকটিস

অ্যান্ড্রু টাইয়ের স্লোয়ারে মিডউইকেট যেনো ক্যাচ প্র্যাকটিস করেলন শামীম। ৬ বলে মাত্র ৩ রান করেন এই ব্যাটসম্যান। এর আগে দুই ম্যাচে ৪ ও ৩ রানে আউট হন। এক ম্যাচে ব্যাটিংয়ে নামতে পারেননি।

বল পাল্টিয়ে আউট আফিফও

অ্যাস্টন অ্যাগারের করা ষোলোতম ওভারের প্রথম বলে ফুল টস পেয়ে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ারে গ্যালারিতে আছড়ে ফেলেন। দুই বল পরে স্ট্যাম্প টু স্ট্যাম্প বলে হাঁটুগেড়ে স্লগ সুইপ খেলতে চেয়েছিলেন। ব্যাটে বলে এক হয়নি; ১৭ বলে ২১ করে হ্যানরিকসের হাতে ধরা পড়েন মিডউইকেটে। এখন ক্রিজে আছেন শামীম-মেহেদী।

সোয়েপসনের ঘূর্ণিতে অসহায় বাংলাদেশ

একে একে তিন ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে পাঠালেন মিচেল সোয়েপসন। মাহমুদউল্লাহ-সোহানের জোড়া উইকেট নেওয়ার পর এবার আউট করেন ক্রিজে থিতু হওয়া মোহাম্মদ নাঈমকে। সোয়েপসনের কুইকারে স্লগ সুইপ খেলতে চেয়েছিলেন নাঈম; কিন্তু বল ভাসান হাওয়ায়। ম্যাথু ওয়েড তালুবন্দি করেন। ৩৬ বলে ২টি চারে ২৮ রান করেন নাঈম। ৪ ওভারে ১২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন সোয়েপসন।

ফিরলেন সোহানও

আবারও আক্রমণে সোয়েপসন। এগারোতম ওভারের শেষ বলে ক্রিজে এসেই এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন নুরুল হাসান সোহান। টার্ন করা বলে সোহানের পায়ে লাগে; আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। পরে রিভিউ সোহানের বিপক্ষে যায়। ০ রানে আউট সোহান। ৪৮ থেকে ৫১; তিন রানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপাকে বাংলাদেশ।

চার ম্যাচে মাহমুদউল্লাহর জোড়া শূন্য

সোয়েপসনের করা এগারোতম ওভারের পঞ্চম বলে সুইপ করতে চেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বল ব্যাট মিস করে সামনের পায়ে লাগে। আবেদনের সঙ্গে সঙ্গে আম্পায়ার আউটের সংকেত দেন। মাহমুদউল্লাহ রিভিউ নেওয়ার চিন্তাও করেননি। হাঁটতে থাকেন ড্রেসিংরুমের দিকে। রানের খাতা খোলার আগেই ফেরেন সাজঘরে। এই সিরিজে মাহমুদউল্লাহর দ্বিতীয় শূন্য। এর আগে দ্বিতীয় ম্যাচে শূন্য রানে ফেরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

২৬ বলে ১৫ করে আউট সাকিব

শুরু থেকেই সাকিবকে দেখাচ্ছিল এলোমেলো। হ্যাজলউডকে স্কুপ করে প্রথম চার পেয়েছেন নিজের ২৪তম বলে। পরের লেন্থ বলে পরাস্ত হয়েছেন, ব্যাটে-বলে এক করতে পারেননি। আবারও লেন্থ বল করেন হ্যাজলউড; কাট করতে গিয়ে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দেন সাকিব। ২৬ বলে ১ চারে ১৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন সাকিব।

ক্রিজে এলেন সাকিব

টানা চার ম্যাচ ধরে ব্যর্থ ওপেনিং জুটি। তাই দ্রুত ক্রিজে আসতে হয় তিনে নামা সাকিব আল হাসানকে। আজও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। ২৪ রানে উইকেট হারানোর পর চতুর্থ ওভারে ক্রিজে আসেন সাকিব। আগের তিন ম্যাচে তিনি ৩৬, ২৬, ২৬ রান করেন।

ফর্মে থেকে ফর্মহীনতায় সৌম্য

দারুণ ফর্মে থেকেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ খেলতে নামেন সৌম্য সরকার। এর আগের জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে হয়েছেন ম্যান অব দ্য সিরিজ। দুটি ম্যাচে হাঁকান ফিফটি (৬৮, ৫০) কিন্তু দেশের মাটিতে চেনা পরিবেশে সৌম্য যেন নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন। সিরিজ জয়ের পর মাহমুদউল্লাহ ব্যাটসম্যানদের কাছে রান চেয়েছিলেন; সৌম্য আবারো ব্যর্থ হলেন।

টানা চার ম্যাচে ব্যর্থ সৌম্য

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে ওপেনার সৌম্যকে দেখা যাচ্ছিল সাবলীল। তৃতীয় ওভারে টার্নারকে লং-অফে হাঁকিয়েছিলেন দারুণ ছয়। তবে বেশিদূর যেতে পারেননি। আগের তিন ম্যাচে সর্বোচ্চ ২ করা সৌম্য এবারও দুই অংকের ঘর পেরোতে পারেননি। হ্যাজলউডের শর্ট লেন্থের বলে কাভারে ক্যাচ তুলে দেন। ১০ বলে মাত্র ৮ রান করেন সৌম্য। চার ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে ১২ রান।

বাংলাদেশ একাদশে কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। আগের ম্যাচের একাদশেই আস্থা রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

বাংলাদেশ একাদশ: সৌম্য সরকার, নাঈম শেখ, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), নুরুল হাসান সোহান, আফিফ হোসেন, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, শেখ মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান।

অভিষেকে হ্যাটট্রিক করা এলিস বাদ

দুই পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছে সফরকারী দল। একাদশে ফিরেছেন অ্যান্ড্রু টাই ও মিচেল সোয়েপসন। বাদ পড়েছেন অ্যাডাম জাম্পা ও অভিষেকেই হ্যাটট্রিককারী নাথান এলিস।

অ্যালেক্স ক্যারি, বেন ম্যাকডারমট, মিচেল মার্শ, মোয়াসেস হেনরিকস, ম্যাথু ওয়েড, অ্যাস্টন টার্নার, অ্যাস্টন অ্যাগার, মিচেল সোয়েপসন, ড্যান ক্রিস্টিয়ান, জশ হ্যাজেলউড ও অ্যান্ড্রু টাই।

ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। টানা তিন ম্যাচ জিতে ফুরফুরে মেজাজে আছে স্বাগতিক দল। অজিদের বিপক্ষে প্রথম কোনো সিরিজ জয়ের পর এবার লক্ষ্য হোয়াইটওয়াশ। শনিবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলাটি শুরু হবে।

ব্যাটসম্যানদের কাছে রান মাহমুদউল্লাহ

মোস্তাফিজুর রহমান-শরিফুলদের কল্যাণে বাংলাদেশ অল্প পুঁজি করেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে ম্যাচ বের করে নিয়ে আসে। কিন্তু এবার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ দলের ব্যাটসম্যানদের থেকেও রান চান। সিরিজের জয়ের আত্মতৃপ্তিতে না ভুগে মাটিতেই পা রেখেছেন; জানিয়েছেন উন্নতি চান ব্যাটিংয়ে। বার্তা দিয়েছেন ব্যাটসম্যানদের দায়িত্ব নেওয়ার।

‘ব্যাটিংয়ে আমাদের দায়িত্ব নিতে হবে। আমাদের সেই সামর্থ আছে। কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে ব্যাটিংটা আরেকটু ভালো করতে পারি। কোনেভাবে ১০-১২ রান একটা চার, কয়েকটা দুই বা সিঙ্গেলের মাধ্যমে বের করতে পারি তাহলে দলের ব্যাটিং ইউনিট খুশি হবো। এটা বোলারদেরও আত্মবিশ্বাসবাড়াবে। তাহলে তাড়া ডিফেন্ড করতে পারবে।’

জেতার লক্ষ্যেই নামছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও বলছেন একই কথা। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে তৃতীয় ম্যাচ জিতে সিরিজ নিশ্চিত করার পর বলেছেন, ‘আমরা ৩-০ তে আছি। সিরিজ জিতেছে। আমাদের সুবর্ণ সুযোগ আগামীকালও একটা ম্যাচ জেতার।’ সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ জিতে ২৩ রানে। ১৩১ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে অজিরা অলআউট হয় ১০৮ রানে। দ্বিতীয় ম্যাচে ১২২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশ ৮ বল বাকি থাকতে জিতে ৫ উইকেটে। আর তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের জয় ১০ রানে।

ধবলধোলাইয়ের হাতছানি

এর আগে কখনো অজিদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে কখনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজই খেলেনি লাল সবুজের দল। বিশ্বকাপের আসরে ৪টি ম্যাচ খেলে ৪টিতেই হার। এবার প্রথম সিরিজ খেলতে নেমেই বাজিমাত; ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ৩টিতেই জয়। একেবারে দানে দানে তিন দান। এবার পালা ধবলধোলাই।

বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত দ্বিপাক্ষিক ও ত্রিদেশীয় সিরিজ মিলিয়ে ৩৬টি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছে। তার মধ্যে ৮টিতে জিতেছে। আর একটি ত্রিদেশীয় সিরিজের ট্রফি ভাগাভাগি করেছে। তারমধ্যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৩টি, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২টি, পাকিস্তানের বিপক্ষে ১টি, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ১টি ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১টি সিরিজ জিতেছে। তার মধ্যে আয়ারল্যান্ড ও জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার সুখস্মৃতি আছে। এবার হাতছানি দিচ্ছি অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশের।