১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং | ১লা পৌষ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৮ই রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী

আজ ০৩ মে, বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস


ডেস্ক রিপোর্ট | PhotoNewsBD

৩ মে, ২০১৯, ১২:৪২ অপরাহ্ণ

আজ (৩ মে)। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। প্রতি বছর এই দিনে সারা বিশ্বে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হয়। এবারের বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের স্লোগান, ‘মিডিয়া ফর ডেমোক্র্যাসি: জার্নালিজম অ্যান্ড ইলেকশন্‌স ইন টাইমস ডিজইনফরমেশন‘।

১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশ মোতাবেক ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ৩ মে তারিখটিকে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এরপর থেকে বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যম কর্মীরা এ দিবসটি পালন করে আসছে।

এই দিবসটিতে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ, বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূল্যায়ন, স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার শপথ নেওয়ার পাশাপাশি ত্যাগী সাংবাদিকদের স্মরণ ও তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানো হয়।

এবারের মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে ইথোপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় ইউনেস্কোর উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের সাংবাদিকরাও তাদের পেশাগত অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় এই দিবসটি পালন করতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করবে।

এবারের মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে জনসচেতনতা তৈরীর লক্ষ্যে ‘ক্যাম্পেইন ফর মিডিয়া ফ্রিডম (সিএমএফ)’ এর উদ্যোগে ক্যাম্পেইন করা হবে বলে জানিয়েছেন ‘ক্যাম্পেইন ফর মিডিয়া ফ্রিডম (সিএমএফ)’ এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, ফটোনিউজবিডি ডটকমের সম্পাদক সাংবাদিক এমদাদুল হক।

এক বক্তব্যে ‘ক্যাম্পেইন ফর মিডিয়া ফ্রিডম (সিএমএফ)’ এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, ফটোনিউজবিডি ডটকমের সম্পাদক সাংবাদিক এমদাদুল হক বলেন, আজ সারা বিশ্বে যখন মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হচ্ছে, তখন বিভিন্ন দেশে গণমাধ্যমের ওপর চাপ ও ভয়ভীতি আমাদের যারপরনাই উদ্বিগ্ন করে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা পর্যবেক্ষণ করে এমন কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের জরিপ এবং মূল্যায়নে দেখা যাচ্ছে সারা বিশ্বেই গণমাধ্যমের ঝুঁকি বেড়ে চলেছে। আর যেসব দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হচ্ছে, তার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে।

এমদাদুল হক আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে আমরা ‘ক্যাম্পেইন ফর মিডিয়া ফ্রিডম (সিএমএফ)’ এর কার্যক্রম শুরু করেছিলাম। পর্যায়ক্রমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্নভাবে আমাদের এই ক্যাম্পেইন কার্যক্রম চলছে। গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য আমাদের এই আন্দোলন দিন দিন সমৃদ্ধ ও বেগবান হবে।