২৪শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১১ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

করোনাভাইরাসের প্রভাব যেন আসন্ন রমজানে না পড়ে


ফটোনিউজবিডি ডেস্ক: | PhotoNewsBD

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১:২১ অপরাহ্ণ

করোনাভাইরাসের প্রভাব যেন আসন্ন রমজানে না পড়ে সে জন্য এখনই সতর্ক হওয়ায় পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা। রসুন, আদা, পেঁয়াজসহ আমদানি নির্ভর বিভিন্ন পণ্যের জন্য দ্রুত বিকল্প বাজার খোঁজার তাগিদ তাদের।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা হুঁশিয়ার উচ্চারণ করে বলছেন, রোজায় কোনও ধরনের কারসাজি হলে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।

আড়াই মাস পরেই শুরু হচ্ছে রোজা। এ সময় চাহিদা বাড়ে রসুন, আদা, পেঁয়াজের মতো মসলা জাতীয় পণ্যের। দেশে রসুন ও আদার বেশিরভাগ আসে চীন থেকে। চাহিদা মেটাতে পেঁয়াজও আমদানি হচ্ছে চীন থেকে। নভেল করোনাভাইরাসের প্রভাবে ব্যাহত হচ্ছে আমদানি। চীন থেকে আমদানি বন্ধ থাকায় দাম বেড়েছে এসব পণ্যের।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এখন থেকেই ব্যবস্থা না নিলে রমজানে অস্থির হতে পারে বাজার। আর তাতে করে ভোগান্তিতে পড়বে মানুষ। তাই বিকল্প বাজার থেকে আমদানিতে উৎসাহ দিতে হবে বেসরকারি খাতকে।

অসাধু ব্যবসায়ীরা যেন সঙ্কটের সুযোগ নিতে না পারে, সেজন্য কঠোর পদক্ষেপের কথা বলছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

রমজানে বাজার তদারকির বিশেষ পরিকল্পনার কথাও জানান এই কর্মকর্তা।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, দেশে বছরে পেঁয়াজের ২৪ লাখ টন চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয় ১৮ লাখ টন। সাড়ে ৫ লাখ টন চাহিদার বিপরীতে রসুন উৎপাদন সাড়ে ৩ লাখ টন।