১৬ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৩রা জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

ঢাকার বাজারগুলোতে মৌসুমি ফলের চাহিদা বেড়েছে


ফটোনিউজবিডি ডেস্ক: | PhotoNewsBD

২১ জুন, ২০২০, ২:১৮ অপরাহ্ণ

ঢাকার বাজারগুলোতে বেড়েছে মৌসুমি ফলের চাহিদা। চাহিদা বাড়ায় বেড়েছে বিকিকিনি। পাইকারি ও খুচরা বাজারে পুরোদমে বিক্রি হচ্ছে মৌসুমি ফল। বিক্রেতারা বলছেন, দামও কম।

শনিবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ী আড়ৎ ঘুরে দেখা গেছে, হিমসাগর, রুপালিসহ বিভিন্ন জাতের আম বিক্রি হচ্ছে। হিমসাগর এক ঝুড়ি (১৫ কেজি) বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১২০০ টাকা (মানভেদে)। পাইকারি প্রতি কেজি ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা। রূপালি এক (১৫ কেজি) ৮২৫ থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

লিচুর ঝুড়ি (১ হাজার লিচু) বিক্রি করা হচ্ছে  ২৫০০ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা (মানভেদে)। কাঁঠাল (২০ পিস) ১ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে (মানভেদে)। জাম (৫ কেজি) ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা।

মেঘলা ফলের আড়ৎদার বোরহান হোসেন বলেন, বাজারে হিমসাগর, রুপালিসহ বিভিন্ন জাতের আম বিক্রি হচ্ছে। আমরা কেজিতে সামান্য লাভে বিক্রি করছি। হিমসাগর এক ক্রেট আম ৮০০ থেকে ১১০০ টাকায় কিনে ৯০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি করছি। মৌসুমি ফলের চাহিদা বাড়ায় বিক্রিও বাড়ছে। দামও কম।

খুচরা বিক্রেতা মো. মোবারক আলী বলেন, আড়ৎ থেকে কিনে খুচরা বিক্রি করি। হিমসাগর আম ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় ক্রয় করেছি। এর সাথে আড়ৎদারকে প্রতি কেজিতে ৫ টাকা দিতে হচ্ছে। খুচারা প্রতি কেজি ৭০ টাকা ১০০ টাকায় বিক্রি করছি। অন্য বিভিন্ন জাতের আমে প্রতি কেজিতে ৫ টাকা লাভে বিক্রি করছি।

খুচরা লিচু বিক্রেতা আব্দুর রহিম বলেন, আড়ৎ থেকে এক ঝুড়ি লিচু (রাজশাহীর ১ হাজার লিচু) ক্রয় করেছি ৪ হাজার টাকায়। প্রতি ১০০ লিচুর দাম পড়েছে ৪০০ টাকা। আমি ৪৫০ টাকা করে বিক্রি করেছি।

ফল কিনতে আসা বেলাল মিয়া বলেন, যাত্রাবাড়ীতে অন্য এলাকার চেয়ে ফলের দাম কম। আড়ৎ থেকে কিনে অল্প লাভে বিক্রি করে। আমি সাইনবোর্ড থাকি। এখানে যে আম ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে সাইনবোর্ডে ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একশ লিচু ৩০০ টাকা এলাকায় ৪৫০ টাকা।

রাজশাহীর বাসিন্দা ও মৌসুমি ফলের ফড়িয়া আতিক হোসেন বলেন, মে মাসের শেষদিকে থেকে আমসহ মৌসুমি ফল নিয়ে যাত্রাবাড়ী আড়তে এসেছি। ধারণ ছুটি তুলে নেওয়ার পর ফলের বিক্রি বেড়েছে।