১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং | ২রা পৌষ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৮ই রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী

“প্রতিথযশা এমফিল গবেষক একজন এহসানুল হক জসীম”


অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার | PhotoNewsBD

২২ জুলাই, ২০১৯, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ

প্রতিথযশা এমফিল গবেষক একজন এহসানুল হক জসীম- প্রতিশ্রুতিশীল সাংবাদিক হিসেবে পেশায় সর্বক্ষণ সময়- দেন একজন সাহসী কলমসৈনিক হিসেবে। কিন্তুু এই অনুমান কে প্রতিপন্ন করে তিনি খবরের কাগজে কলাম ও ভাষ্য রচনার আত্ননিয়োগ করলেন এবং অচিরেই সু- পরিচিত লাভ করলেন সাহসী এবং যুক্তিবাদী কলাম লেখক সাংবাদিকতার পাশাপাশি হিসেবে তিনি সাফল্যলাভ করলেন ” বর্তমান পেক্ষাপট ও দেশের এই বিভাজন রাজনৈতিক অঙ্গনে তার লেখা- ” ইসলামী রাজনীতির ব্যবচ্ছেদ” বইটি প্রকাশ করে অন্ধরমহলের রাজনীতিবীদদের কে সঠিক দিকনির্দেশিত সময়োপযোগী সুর্য্যর আলোকজ্জল

পথনির্দেশক করে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার লেখা এই বইটি অত্যন্ত খুব চমতৎকার হিসেবে এ বইটি সাড়া জাগিয়েছে পাঠক মহলে যাহা অত্যন্ত গুরুপুর্ণ ধারকবারক হিসেবে কাজ করতে সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছে।
লেখক এহসানুল হক জসীম আরেকটি কারণেও তিনি সবার নজরে এলেন- সেটা হচ্ছে তার লেখা অজস্রতায়। তার এই বইয়ের লেখার মধ্যে যেমন তথ্য আছে ঠিক সেইভাবে ভাষ্যেরও অভাব নেই- আর এতে পাওয়া যায় সাবলীলতা পরিচ্ছন্নতা ও গতি। তিনি যা বলেন সহজ করে বলেন, যুক্তিকে অবহেলা করেন না, বিপুল তথ্যের স্তুুপে দাঁড়িয়ে তিনি লিখেছেন এই বইটি। তার নিজস্ব ব্যাখা -ভাষা জানিয়ে দিয়েছেন পাঠককে। তিনি বাছাই করেন সেসব প্রসঙ্গ, যার ওপর তাঁর দখল আছে। প্রাঞ্জলতা তাঁর রচনার গুণ গতিময়তা ভূষণ।

বিগত ৫৩ বছরে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে দুবার। একবার ১৯৪৭ সালে ভোটের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসকদের বিদায় দিয়ে, আরেকবার স্বাধীনমুক্ত হয়েছে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে। পৃথিবীর খুব কম দেশের মানু্ষ এমন গৌরবজনক ইতিহাসের মধ্যে দিয়ে নিজেদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র কায়েম করেছে। কিন্তুু দুভার্গ্য এ দেশের মানুষের কারণ,পৃথিবীতে এমন কোনো দেশ পাওয়া যাবে না যেখানে সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে জন্মলাভকারী দেশের জাতীয় নেতারা স্বাধীনতা অর্জনের অব্যবহিত পরেই দেশ গড়ার বদলে স্বজনপ্রীতি,দুর্নীতি,ঘুষ, কালোবাকরেনি চোরাকারবারির মাধ্যমে নিজেদের আখের গোঁছানো ছাড়া অন্য কিছুরই স্বপ্ন দেখেনি বা কিছু করেনি।

★ এহসানূল হক জসীমের লেখা বাংলাদেশের ইসলামী
রাজনীতির ব্যবচ্ছেদ বইটি একটি আর্কষণীয় গ্রন্থ।এটি লেখকের এমফিল ডিগ্রীর জন্য তৈনি অভিসন্দর্ভ।এতে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যালোচিত একটি উত্তম সুখ-পাঠ্য অনুশীলনীয় এবং সুমার্জিত গবেষণা বই এটি।
বর্তমান প্রজন্মের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বারোপ এবং আর্কষণীয় ও প্রয়োজনীয় বটে। লেখকের মতে ইসলামী রাজনীতির অপার সম্ভাবনাময় বাংলাদেশে ইসলামপন্হী
রাজনৈতিক দলগুলি একটির পর একটি আত্নঘাতি বহু সিদান্ত গ্রহণ করে এই ক্ষেত্রটি সংকুচিত করেছে। প্রশ্ন-উঠেছে, বর্তমানে এর সম্ভবনা এবং ভবিষ্যৎ কী ?

★আমাদের প্রিয়-মাতৃভূমি বাংলাদেশ মুসলিম বিশ্বের অন্যতম গুরুপুর্ণ একটি রাষ্ট্র। এ দেশের প্রায় ৯০ ভাগ মানু্ষ ধর্মভীরু মুসলিম। ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই ভারতবর্ষে ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য অনেকেই বিছিন্নভাবে কাজ করেছিলেন। দেশভাগের আগে- পরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বেশ কয়েকটি ইসলামিক রাজনৈতিক দল। নবগঠিত পাকিস্তানকে ইসলামি রাষ্ট্রে পরিণত করতে এই দলগুলো নিরলসভাবে কাজ করেছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার নতুন করে কয়েকটি ইসলামি রাজনৈতিক দলের উদ্ভব ঘটে। দেশের রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে ইসলামবিরোধী শক্তি অপসারণ এবং গণমানুষের সর্বাঙ্গীণ মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামি শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাই ছিল মূলত এজেন্ডা। এতে লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ঠিক থাকলেও এসব ইসলামি দলের কর্মসূচি ও বক্তব্য সেই-অর্থে জনগণের কাছে আবেদন তৈরি করতে পারেনি। সফলতা ও ব্যর্থতাকে দু-পাল্লায় উঠালে ব্যর্থতার পাল্লাই ভারী হবে। এতে ভাঙা-গড়ার খেলা,পারস্পরিক মতবিরোধ আর কাঁদা ছোড়াছুড়িতে ব্যস্ত একে অন্যেকে। ইসলামি দলগুলো জনগণের কাছে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা হিসেবে উপস্থাপন করতে পারিনি।
★ যুগের সংকট ও পরীক্ষিত সমাধান। ইতিহাস বলে, ইসলামের জন্য তুর্কি জাতি যে পরিমাণ রক্ত ঝরিয়েছে বিশ্বের আর কোনো জাতি এত রক্ত ঝরায়নি। প্রায় ৭০০ বছর তুর্কি শাসকরা রাষ্ট্রক্ষমতার মাধ্যমে গোটা দুনিয়ার নেতৃত্বের ভার নিয়ে খিলাফতের সুশাসন ন্যায়বিচার মানবাধিকার বিজয়াভিযান ইত্যাদির নমুনা উপস্থাপন করেন। ১৯২৪ সালে এ শাসন শেষ হয়। নতুন নেতা হন মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক।গণতন্ত্র,পশ্চিমা সভ্যতা-সংস্কৃতি
★সে,ক্যুলারিজম,নাস্তিক্যবাদ ও প্রগতিবাদ চালু করা হয়। ইহুদি খৃষ্টান ও প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য শক্তি মিলে তুর্কিদের ইসলাম থেকে দূরে সরাবার কাজ চালায় প্রায় শত বছর। ৭০/৮০ বছর যা ছিল বড়ই পাশবিক ও নির্মম। ঈমানী শক্তির উজ্জীবন, ইলমচর্চা ও আধ্যাত্নিকতার মাধ্যমে তুর্কিরা এ

ভয়ানক সময়ের মোকাবেলা করেছেন। লাখো আলেম শহীদ হয়েছেন, অগিণত দীনদার মানু্ষ জানমালও ইজ্জতের কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছেন। হাজারো কোরবানির বিনিময়ে আল্লাহ পরিস্থিতি পাল্টে দিয়েছেন।বিশ্বসমাজের তাওহীদী জনতার সম্ভব্য বিজয় অত্যাসন্ন।
এ পরিবর্তনের জন্য কটি নাম গর্বভরে উল্লেখ করা হয় তার ভেতর মুজাদ্দিদ মেজাজের শায়খ বদিউজ্জামান সাঈদ নুরসী ( রহঃ ) এবং শায়েখ মাহমুদ আফেন্দি নকশবন্দি বা অধিক উজ্জল। সংকটাপন্ন মুসলিম বিশ্বে তুরস্কের নিকট -অভিজ্ঞতা থেকে আল্লাহর দীনের দরদি সাধকেরা নি:সন্দেহে উপকৃত হতে পারেন।
★”ইসলাম” আরবী ভাষার একটি যুগান্তকারী ও অবিস্মরণীয় শব্দ! যা পৃথিবীর সূচনা লগ্ন থেকেই ভূমন্ডলে বসবারত মানব গোষ্ঠীর প্রতি মহান আল্লাহ প্রদত্ত একমাত্র গ্রহণযোগ্য চির শাশ্বত আদর্শের পরিচয় বহন করে আসছে। এই “ইসলাম” শব্দটির আভিধানিক অর্থ ‘শান্তি’।আর পৃথিবীতে বসবাসরত মানব গোষ্ঠীর যাবতীয় প্রয়োজন পূরণের নিমিত্তেই এই “ইসলাম”নামক আদর্শ মানব জীবনের সকল ক্ষেত্রও বিভাগে প্রতিষ্ঠার জন্য স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টিকূলের শ্রেষ্ট মানব গোষ্ঠীকে তাঁর প্রতিনিধিত্ব করার গুরু দায়িত্ব প্রদান করেছেন।

★মাবন জাতির আদি পিতা হযরত আদম (আঃ)এই পৃথিবীর প্রথম মানব হিসেবে মহান স্রষ্টা তাকে দিয়েই এই পৃথিবী নামক ভূখণ্ডে তাঁর প্রতিনিধিত্বের সূচনা করেন এবং তিনি ছিলেন প্রথম মানুষ এবং তারই পাশাপাশি প্রথম নবীও বটে।

★ ইসলামপন্থীরা আটকে আছে নিজেদের সমস্যায়

দেশের ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো আটকে আছে নানা কারণে। ষড়যন্ত্র এবং ভৌগোলিক প্রোপট কারণ বটে; তবে আটকে থাকা ও বিপর্যয়ের জন্য ইহুদি-নাসারাদের কিংবা বিদেশী ষড়যন্ত্র নয়; তারা নিজেরাই দায়ী বেশির ভাগ ক্ষেত্রে। সীমাবদ্ধতা থেকে তারা বেরিয়ে আসতে পারছে না। সাংবাদিক ও গবেষক এহসানুল হক জসীম তার ‘বাংলাদেশের ইসলামি রাজনীতির ব্যবচ্ছেদ’ গবেষণা গ্রন্থে বহু তথ্য সন্নিবেশিত করে প্রমাণ করলেন ইসলামপন্থীদের সীমাবদ্ধতা এবং আটকে থাকার কারণগুলো। বইটি এ দেশের রাজনৈতিক দলমতের উর্ধে ইসলাম ও ধর্মীয় রাজনীতিসহ সর্বক্ষেত্রে তাহাঁর বহুমুল্যবান তত্ত্বগত দিক ফুঁটিয়ে তুলেছেন লেখক।

★ বৈশ্বিক ঘটনাপ্রবাহ ও ঐতিহাসিক পরম্পরায় এখানে অনেকগুলো ইসলামী রাজনৈতিক দল বিকশিত হয়েছে। এসব দলের রয়েছে নানা সীমাবদ্ধতা। তাদের আটকাবস্থা ও বর্তমান অবস্থান নিয়ে ‘বাংলাদেশের ইসলামি রাজনীতির ব্যবচ্ছেদ’ একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ। এমন দুর্লভ কিছু তথ্য রয়েছে বইটিতে, যা অনেকেরই জানা নেই।

★ বাংলাদেশের ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো এখানে অনেক পিছিয়ে। ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন- দেখেন, ক্ষমতায় এসে শরিয়া আইন প্রবর্তন করে দেশের আমুল পরিবর্তনের স্বপ্ন- দেখেন। কিন্তু প্রশাসনে তাদের পন্হী কর্মকর্তা – কর্মচারী কতজনই – বা আছেন। ধরুন কোন এক নির্বাচনে জনগণ কোনো একটি ইসলামী দলকে ম্যান্ডেট দিয়ে দিলো। রাজনৈতিক সরকার গঠনের পর ওই ইসলামী দলের সরকারকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করার মতো প্রশাসনিক কর্মকর্তা তারা কতভাগ পাবেন। দেশের ৬৪ টি জেলায় জেলা প্রশাসক দেওয়ার মতো কয়জন ইসলাম পন্হী প্রশাসনিক ক্যাডার আছে তাদের হাতে? প্রায় ৫০০ টি উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ার মতো লোক কি তারা খুঁজে পাবেন? ৬ শতাধিক থানায় ওসি দেওয়ার মতো লোক কি আছে? অরাজনৈতিক নির্বাহী বিভাগে নিজস্ব কিছু লোক ছাড়া রাজনৈতিক নির্বাহী বিভাগ পরিচালনা করা খুবই দুরুহ, এমনকী অসম্ভব বটে। বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটা দুরুহ ব্যাপার।

★ ইসলামী রাষ্ট্র গণতন্ত্রমুলক। তবে আধুনিক গণতন্ত্রে যেরুপ দ্বন্দ্ব রয়েছে- ইসলামী সমাজে সেরুপ দ্বন্দ্ব থাকতে পারেনা। বর্তমানকালের পুঁজিবাদী গণতন্ত্রে একদিকে রয়েছে- মানুষের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুবিধা, অপরদিকে রয়েছে পুঁজিবাদী ধন- দৌলতের জোর। যার ফলে পুঁজিপতিরা অবাধে গরিব- দু:খীর নির্বাচনের অধিকারকে ক্ষুন্ন করতে পারে। ইসলামে পুঁজি সৃষ্টির কোনো সুযোগ না থাকায় মানুষের নির্বাচনের অধিকার ক্ষুন্ন হতে পারেনা।

★মহান প্রভূ আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীর প্রথম মানুষ হযরত আদম (আঃ) কে দিয়ে নবুওয়াতী দায়িত্বের সূচনা করেন এবং আরবের মরু ভূমির উষ্ণ ভূখণ্ডের নিরক্ষর মহা পুরুষ হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর মাধ্যমে এই নবুওয়াতী মিশনের ইতি টানেন এবং সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসূল মোহাম্মদ (সঃ) এবং হযরত আদম (আঃ) এর মাঝখানে আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন যুগে পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকা ও গোত্রে অসংখ্য নবী ও রাসূল প্রেরণ করেন এবং সর্বশেষ রাসূল মোহাম্মদ (সঃ) কে পৃথিবীর শেষ লগ্ন পর্যন্ত গোটা বিশ্ব বাসীর জন্য মনোনীত করে প্রেরণ করেন।

হযরত মোহাম্মদ (সঃ) সহ যুগে যুগে পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকা ও সম্প্রদায়ের প্রতি আল্লাহ কর্তৃক প্রেরিত প্রত্যেক নবী ও রাসূলের একমাত্র দায়িত্ব ছিলো তাঁর (আল্লাহর) দেয়া বিধি বিধান তথা “ইসলাম” নামক চির শাশ্বত আদর্শ নিজ নিজ এলাকা ও সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীর মাঝে প্রচারের মাধ্যমে মানব সমাজে প্রতিষ্ঠিত করে মানব গোষ্ঠীর ইহকালীন শান্তি নিশ্চিত করার মাধ্যমে পরকালীন মুক্তি ও সফলতা নিশ্চিত করা।

গুটিকয়েক নবী ও রাসূল ছাড়া ধারাবাহিক এই চির শাশ্বত মিশনে অসংখ্য নবী ও রাসূল ইহকালীন সফলতা অর্জন করতে না পারলেও তাদের কোনো কর্মই মহান প্রভূর দরবারে নিষ্ফল নহে। কেননা: “দুনিয়া পরকালের শষ্যক্ষেত্র” হিসেবে নবী ও রাসূলগণ সহ সকল বনী আদমের ইহকালীন ক্ষণস্থায়ী জীবনের সকল কর্মকাণ্ডের প্রতিদান ও পরিণাম ফল পরকালীন চিরস্থায়ী জীবনে আমরা অবশ্যই ভোগ করতে হবে।

যেহেতু সর্বশেষ নবী ও রাসূল বিশ্ব মানবতার একমাত্র শান্তির দূত মোহাম্মদ (সঃ) এর তেইশ বছরের রিসালাতের জীবন অনুসরণ ও অনুকরণ করার মাঝেই পৃথিবীর শেষ দিবস পর্যন্ত পৃথিবীতে আগত বিশ্ব মানবতার জীবনের সকল ক্ষেত্র ও বিভাগে ইহকালীন শান্তি ও কল্যাণ এবং পরকালীন মুক্তি ও সফলতা একমাত্র নির্ভরশীল, তাই মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর দেহের ছূরতকে নহে, বরং তাঁর তেইশ বছরের ছিরতকেই আমাদের ইহকালীন জীবনের সকল ক্ষেত্র ও বিভাগে অনুসরণ ও অনুকরণ তথা মেনে চলার জন্য সুনির্দিষ্ট উপায়ে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতেই হবে। আর তবেই আমাদের ইহকালীন জীবন শান্তি ও কল্যাণময় হবে এবং পরকালেও মুক্তি ও সফলতার দ্বার উন্মুক্ত থাকবে।

অন্যান্য সকল নবী ও রাসূলের মতো সর্বশেষ রাসূল হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর মাধ্যমে মহান আল্লাহ গোটা বিশ্ববাসীর প্রতি তাঁর “ইসলাম” নামক আদর্শকে পরিপূর্ণতা দান করেন। যেমন; আল্লাহ তায়ালা বলেন- الیوم اکملت لکم دینکم و اتممت علیکم نعمتی ورضیت لکم الاسلم دینا

★ ইসলামী রাজনীতি নিয়ে সত্যিকারের ফলপ্রসূ গবেষণা আমাদের দেশে হয় না। নানান মিথ আর প্রিজুডিস ধারণা নিয়ে ইসলামী রাজনীতিকে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। তথ্য- প্রমাণ আর একাডেমিক ডিসকোর্স ছাড়াই সমালোচকরা ইসলামী রাজনীতির সমালোচনা করে নিষ্টুরভাবে। অন্যদিকে আবেগে উদ্ধেলিত হয়ে সংকটে ও সমস্যাকে উপেক্ষা করা হয়েছে যুগযুগ ধরে। এই বইটিতে লেখক বাংলাদেশের ইসলামি রাজনীতি নিয়ে একটা পুর্ণাঙ্গ ছবি আঁকতে চেয়েছেন। পাঠকবৃন্দ এই বইটি থেকে ইসলামি রাজনীতি ও ইসলামি রাজনৈতিক দলসমূহ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য- ও পর্যালোচনা জানতে পারবেন।
★ পরিশেষে আমি সম্মানীত লেখকের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এই পরিশ্রম সফল হোক। বইটি প্রায় দেড় বছর ধরে সম্পাদনা করা হয়েছে। পুরো প্রত্রুিয়ার সঙ্গে জড়িত সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ইসলামি রাজনীতির পুনর্জাগরণে এই বইটি সামান্যতম ভুমিকা পালন করলেও লেখক সহ সংশ্লিষ্ট সকলের পরিশ্রম স্বার্থক হবে বলে মনে করি।

লেখকঃ সদস্য- ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ( ডিইউজে ) ব্যবস্থাপনা সম্পাদক- দৈনিক আপন আলো, আহবায়ক: জাতীয় জনতা-ফোরাম।