২০শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ১৯শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

বাংলাদেশের হারে ব্যাটিং ব্যর্থতা


ফটোনিউজবিডি ডেস্ক: | PhotoNewsBD

৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ

লক্ষ্য বেশি ছিল না। যে পিচে নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা রান করেছেন সহজেই সেই পিচে অচেনা লাগছিল ঘরের ছেলেদের। একের পর এক আসা যাওয়ার মিছিলে বাংলাদেশ হারে ৫২ রানে। টানা দুই ম্যাচ জয়ের পর আজ সুযোগ ছিল সিরিজ নিশ্চিতের কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল।

একাই লড়ে গেছিলেন মুশফিকুর রহিম। পাশে পাননি কোনো সতীর্থকে। শূন্য রানে ফেরেন দুই ব্যাটসম্যান সাকিব-আফিফ। দুবার করে জোড়া উইকেট হারানোর মাশুল দিতে হয় বড় হারে। মুশফিক অপরাজিত ছিলেন ২০ রানে। মুশফিক ছাড়া মাত্র দুই জন ব্যাটসম্যান দুই অংঙ্কের ঘর পার করেন। ১২৯ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ২ বল বাকি থাকতে ৭৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশকে একাই নাচিয়েছেন এজাজ প্যাটেল। ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট। এ ছাড়া ম্যাককনচি নেন ৩ উইকেট।

বাংলাদেশ: ১৯ ওভার ৪ বলে ৭৬/১০

নিউ জিল্যান্ড: ২০ ওভারে ১২৮/৫

হারের মুখে বাংলাদেশ

১৮ ওভারের সময় ইনিংসের নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফিরলেন নাসুম আহমেদ। তার ব্যাট থেকে আসে ৫ বলে ১ রান। শেষ ১৮ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৬০ রান; হাতে আছে ১ উইকেট। টানা দুই ম্যাচ জয়ের পর এবার হারের মুখে বাংলাদেশ।

পারলেন না সাইফউদ্দিনও

ম্যাককনচির বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফিরলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। উইকেটের মিছিলে এই অলরাউন্ডারও থিতু হতে পারলেন না। আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ১১ বলে ৮ রান।

জীবন পেয়েও কাজে লাগাতে পারলেন না সোহান

৩ রানের সময় রানআউট থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন ভাগ্যগুণে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারলেন না নুরুর হাসান সোহান। আর মাত্র ৫ রান যোগ না হতেই ফেরেন সাজঘরে। ম্যাককনচির বলে লং অনে ব্লান্ডেলের দারুণ ক্যাচে আউট হন সোহান। তার আউটে আরও বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।

এজাজের ঘূর্ণিতে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে ধস

চার উইকেট হারিয়ে যখন ধুঁকছিল বাংলাদেশ; তখন মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর জুটিতে স্বপ্ন বুনেছিল বাংলাদেশ। সেই স্বপ্নে জল ঢেলে দিয়েছেন এজাজ প্যাটেল। পরপর দুই বলে ফেরালেন মাহমুদউল্লাহ-আফিফকে। বাংলাদেশ অধিনায়ক ৭ বলে ৩ রান করলেও আফিফ ফেরেন ০ রানেই। এর আগে ০ রানে ফিরেছিলেন সাকিব আল হাসান। এজাজ একাই নিয়েছেন ৪ উইকেট।

ফিরলেন নাঈমও, বিপাকে বাংলাদেশ

লিটন দাস থেকে শুরু। মাঝে একই ওভারে ফিরলেন মেহেদী হাসান ও সাকিব আল হাসান। এবার রাচিন রবীন্দ্রর বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন ক্রিজে থিতু হওয়া মোহাম্মদ নাঈম। ২ চারে ১৯ বলে ১৩ রান করেন এই বাঁহাতি ওপেনার। ৭ ওভার না পেরোতেই ৩২ রান ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে বাংলাদেশ।

শূন্য রানে আউট সাকিব

লিটনের আউটের পর ক্রিজে এসে টিকতে পারেননি মেহেদী হাসান ও সাকিব আল হাসান। মাত্র ১ রান করে এজাজ প্যাটেলের বলে ক্যাচ দেন নিকোলসের হাতে। একই ওভারে সাকিব ফেরেন ০ রানেই। ক্রিজে এসেই প্রথম বলে মিডউইকেটে সজোরে হাঁকিয়েছিলেন কিন্তু বল ব্যাটে লাগেনি। পরের বলে লং অনে মারতে গিয়ে ধরা পড়েন ম্যাককনচির হাতে। ৮৮ টি-টোয়েন্টির ক্যারিয়ারে সাকিবের এটি ষষ্ঠ শূন্য।

দারুণ শুরুর পর ফিরলেন লিটন

ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ম্যাককনচিকে টানা দুই চারের পর বলে কোনো রান নিতে পারেননি লিটন দাস। পরের লেন্থ বলটি সুইপ করতে চেয়েছিলেন; বল ব্যাট মিস করে লাগে লিটনের প্যাডে। সতীর্থ নাঈমের সঙ্গে আলোচনা করে আর রিভিউ না নিয়ে পা বাড়ান ড্রেসিং রুমের দিকে। আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৯ বলে ১৫ রান।

সিরিজ জয়ের জন্য প্রয়োজন ১২৯

হেনরি নিকোলস-টম ব্লান্ডেলের দারুণ জুটিতে বাংলাদেশকে ১২৯ রানের টার্গেট দিয়েছে নিউ জিল্যান্ড। শুরু থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো নিউ জিল্যান্ড শেষ ৯ ওভারে একটি উইকেটও হারায়নি। শেষ ওভারে অবশ্য সাকিব ক্যাচ ধরতে পারলে একটি উইকেটের পতন হতো। দুজনের জুটি থেকে আসে ৬৫ রান। নিকোলস ২৯ বলে ৩৬ ও ব্লান্ডেল ৩০ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত ছিলেন। এ ছাড়া ২০ রান করে আসে রাচিন রবীন্দ্র ও উইল ইয়ংয়ের ব্যাট থেকে। ২০ ওভার শেষে কিউইদের স্নংগ্রহ ৫ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রান। সিরিজ জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ১২৯ রান। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন। সবচেয়ে বেশি চার ওভারে ২৯ রান দিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। প্রথম ২ওভারে ৫ রান দিলেও শেষ ২ ওভারে দেন ২৪ রান।

সাকিবের অপেক্ষা আরও বাড়লো

আর মাত্র এক উইকেট নিলেই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি মালিঙ্গাকে স্পর্শ করবেন সাকিব আল হাসান। ২টি নিলেই সাকিবই হবেন টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক। প্রথম দুই ম্যাচে ৪ উইকেট নিলেও তৃতীয় ম্যাচে সাকিব ছিলেন উইকেট শূন্য। ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। ১০৭ উইকেট নিয়ে শীর্ষে আছেন শ্রীলঙ্কার সাবেক পেসার লাসিথ মালিঙ্গা। সাকিবের উইকেট সংখ্যা এখন ১০৬টি। ৯৯ উইকেট নিয়ে সাকিবের পর আছেন নিউ জিল্যান্ডের টিম সাউদি।

সেই লাথামকে আগেই ফেরালেন মেহেদী

দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ে বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছেলন টম লাথাম। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় ইনিংসের শেষ বলে। এবার লাথামকে আগেভাগেই ফিরিয়ে যেন পথের কাঁটা দূর করলেন মেহেদী। ১১তম ওভারের ৫ম বলে মেহেদীর করা বলে তার হাতেই ক্যাচ তুলে দেন লাথাম। আউটের আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৯ বলে ৫ রান।

রবীন্দ্রকে ফেরালেন মাহমুদউল্লাহ

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বলে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে বোল্ড হলেন রাচিন রবীন্দ্র। ইনিংসের দশম ওভারের তৃতীয় বলে এগিয়ে এসে মিডউইকেট অঞ্চলে হাঁকিয়েছিলেন; বল ব্যাট মিস করে আঘাত হানে লেগ স্টাম্পে। আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২০ বলে ২০ রান।

সাইফউদ্দিনের জোড়া আঘাত

শুরুতে উইকেট হারালেও আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছিল নিউ জিল্যান্ড। ফিন অ্যালেন আউট হওয়ার পরও ইয়ং-রাচিন রবীন্দ্র পাওয়ার প্লে-তে ৪১ রান তুলেছিলেন। এরপরেই আঘাত হানেন সাইফউদ্দিন।

সাইফউদ্দিনের লেন্থ বলে পরাস্ত হলেন উইল ইয়ং। অফ ও মিডল স্ট্যাম্পের মাঝের বল ব্যাট মিস হয়ে লাগে পায়ে। জোরালো আবেদনে আম্পায়ার সাড়া দিলে রিভিউ নেয় নিউ জিল্যান্ড। তবুও বাঁচতে পারেননি ইয়ং। ষষ্ঠ বলে এলবিডব্লিউ করে ফেরান গ্র্যান্ডহোমকেও। এবার রিভিউ নিয়েছিল কিউইরা। এবারও তাদের পক্ষে যায়নি। এক ওভারেই দুই উইকেটের সঙ্গে দুটি রিভিউ হারালো সফরকারীরা। ইয়ং ২০ বলে ২০ রান করলেও গ্র্যান্ডহোম রানের খাতা খুলতে পারেননি।

অ্যালেন ঝড় শুরুর আগেই থামালেন মোস্তাফিজ

প্রথম দুই ম্যাচ খেলতে পারেননি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায়। তৃতীয় ম্যাচে খেলতে নেমে শুরুতেই ঝড়ের আভাস দেন কিউই ওপেনার ফিন অ্যালেন। প্রথম ওভারে মেহেদী হাসানকে হাঁকান দুই চার। ৯ বলে ১৫ রান করা অ্যালেনকে বেশিদূর যেতে দেননি মোস্তাফিজুর রহমান। তার স্লোয়ার বুঝতে না পেরে তুলে দেন মাহমুদউল্লাহর হাতে।

উইকেটের পেছনে সোহান

প্রথম দুই ম্যাচের পর উইকেটের পেছনে থাকার কথা ছিল মুশফিকুর রহিমের। কিন্তু তা হচ্ছে না; তৃতীয় ম্যাচেও উইকেটের পেছনে দাঁড়াচ্ছেন নুরুল হাসান সোহান। দ্বিতীয় ম্যাচের পর বিরতির দিন হওয়া অপশনাল অনুশীলন ও আজ ম্যাচ শুরুর আগে গ্লাভস হাতে অনুশীলনেও দেখা যায়নি মুশফিককে। তখনই আঁচ পাওয়া যায় মুশফিককে হয়তো উইকেটের পেছনে দেখা যাবে না। শেষ পর্যন্ত তাই হলো। প্রথম দুই ম্যাচ সোহান ও দ্বিতীয় দুই ম্যাচে মুশফিক কিপিং করবেন বলে জানিয়েছিলেন প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো।

বাংলাদেশ একাদশ: বাংলাদেশ একাদশে কোনো পরিবর্তন ঘটেনি।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), লিটন দাস, নাঈম শেখ, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী হাসান, আফিফ হোসেন ধ্রুব, নাসুম আহমেদ, সাইফউদ্দিন ও মোস্তাফিজুর রহমান।

নিউজিল্যান্ড একাদশ : এই ম্যাচেও নিউ জিল্যান্ড নেমেছে তিন পরিবর্তন নিয়ে। বাদ পড়েছেন ব্রেসওয়েল, সিয়ার্স ও ব্যানেট। একাদশে ঢুকেছেন স্কট কাগেলেইন, জ্যাকব ডাফি ও ফিন অ্যালেন।

টম ল্যাথাম (অধিনায়ক, উইকেট রক্ষক), রাচিন রবীন্দ্র, টম ব্লান্ডেল, উইল ইয়াং, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, হেনরি নিকোলস, কোল ম্যাককনচি, ডগ ব্রেসওয়েল, এজাজ প্যাটেল, স্কট কাগেলেইন ও জেকব ডাফি।

ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস হেরে ফিল্ডিং করবে বাংলাদেশ। রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কিউইদের মুখোমুখি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। খেলাটি শুরু হচ্ছে বিকেল ৪টায়।

সিরিজ জয়ের মিশন

‘নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামতে প্রস্তুত বাংলাদেশ দল’-সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এভাবেই সিরিজ জয়ের জন্য লাল সবুজের বাংলাদেশ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন বিশ্বসসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে টানা দুটিতে জিতে ইতিমধ্যে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ ২ ম্যাচ হাতে থাকতেই নিঃসন্দেহে সিরিজ নিশ্চিত করতে চাইবে। টানা জয়ের পেছনে মূলমন্ত্র আত্মবিশ্বাস ও দলগত পারফরম্যান্স। আজ জিতলেই প্রথমবারের মতো কিউইদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতবে বাংলাদেশ।

মাহমুদউল্লার অন্যরকম সেঞ্চুরি

টি-টোয়েন্টিতে অন্ধকার যুগ পেরিয়ে আলোর যুগে বাংলাদেশ, যেই পথচলায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম সংস্করণে দেশের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারও তিনি। ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে কেনিয়ার বিপক্ষে শুরু, নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ছিল তার ক্যারিয়ারের ৯৯তম। এবার তৃতীয় ম্যাচে সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ। দেশের প্রথম ও বিশ্বের অষ্টম ক্রিকেটার হিসেবে মাহমুদউল্লাহ টি-টোয়েন্টিতে শততম ম্যাচ খেলতে নামবেন।

এই ম্যাচকে সামনে রেখে কোনো পরিকল্পনা? মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘আলাদা কোনো পরিকল্পনা নেই। সবসময় যেটা করার চেষ্টা করি, দলের জন্য খেলা, ভালো খেলা। নিজের ১০০তম ম্যাচ সেটাই করার চেষ্টা করব।’

সাকিবের সামনে বিশ্বরেকর্ডের হাতছানি

এই ম্যাচে সাকিব আল হাসানকে হাতছানি দিচ্ছে বিশ্বরেকর্ডের। আর দুই উইকেট পেলে তিনি হবেন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি উইকেট শিকারি বোলার। ১০৭ উইকেট নিয়ে সবার উপরে আছেন লাসিথ মালিঙ্গা। তার থেকে এক উইকেট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছেন শাকিব। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে একসঙ্গে ১২ হাজার রান ও ৬০০ উইকেটের মালিক হবেন সাকিব।