২৭শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৭ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

বাড়ি বাড়ি শীতবস্ত্র পৌঁছে দিচ্ছেন তারা


স্টাফ রিপোর্টার: | PhotoNewsBD

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ

মৌলভীবাজারে কয়েকদিন ধরে জেকে বসেছে শীত। শীতের তীব্রতায় গরীব ও অসহায় দরিদ্ররা পড়েছেন চরম দূর্ভোগে। সেই দূর্ভোগ পোহাতে এগিয়ে এসেছে মৌলভীবাজার সদরের আপার কাগাবলা ইউনিয়নের জনকল্যাণ সংস্থা। সংস্থাটির মাধ্যমে শীতের উষ্ণতা পেলেন ৩৪টি গ্রামের অসহায় ও দরিদ্র শীতার্তরা।

মঙ্গলবার (০২ ফেব্রুয়ারী) সংগঠনটির সদস্যরা ইউনিয়নের নয়টির ওয়ার্ডের দুই শতাধিক শীতার্তদের মাঝে বাড়ি বাড়ি গিয়ে শীতবস্ত্র পৌছে দেন তারা।

আর্তমানবতার সেবায় গঠিত স্বেচ্ছাসেবামূলক সংগঠন “জনকল্যাণ সংস্থা” ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর পর থেকে সংগঠনটি কাগাবলা ইউনিয়নের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সেবামূলক কাজ করে আসছে।

সংগঠনের সভাপতি রাবেল মিয়া বলেন, “মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আপার কাগাবলা ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডে দুস্থ ও অসহায়দের বাড়ী বাড়ী গিয়ে উন্নতমানের শাল ও চাদর দিয়েছে জনকল্যাণ সংস্থার সদস্যরা। এই শীতে ইউনিয়নের হতদরিদ্র মানুষের পাশে আমরা দাঁড়িয়েছি”।

সংগঠনের উপদেষ্টা ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, “তীব্র শীতে দুস্থ ও অসহায়দের ভোগান্তি কমাতে ও তাদের জীবনে একটু স্বস্তি ফিরিয়ে আনার জন্য জনকল্যাণ সংস্থার শীতবস্ত্র বিতরণের এ কার্যক্রম ইউনিয়ন ও দেশের মানুষদের অনুপ্রেরণা যোগাতে সহায়তা করবে। “জনকল্যাণ সংস্থার” কাজ দেখে আমি আজ আনন্দিত, আমি সবসময় জনকল্যাণ সংস্থার পাশে আছি, থাকবো”।

কাগাবলা ইউনিয়নের আগিউন গ্রামের বাসিন্ধা আবু তাহের বলেন, “ কাগাবলা ইউনিয়নে সরকার থেকে যে পরিমাণ সহযোগীতা পাওয়ার কথা আসলে সেই রকম পাওয়া যাচ্ছে না। এই ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষ দরিদ্রসীমার নিচে বসবাস করে। জনকল্যাণ সংস্থা তাদের সাধ্যমত কাজ করে যাচ্ছে। আমরাও তাদের সহযোগীতা করি”।

জনকল্যাণ সংস্থার সহ সভাপতি সাকিবুর রহমান মেরাজ বলেন, “মহামারি করোনার প্রাক্কালে জনকল্যাণ সংস্থার সদস্যরা মাস্ক ও সাবান বিতরণ করেছে। লকডাউনের সময় ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌছে দিয়েছে। ঈদ ও রমজানে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে। আমরা এই ধারাবাহিক কার্যক্রম ধরে রাখতে চাই। সবকিছু থেকে বঞ্চিত আমাদের এই ইউনিয়নের মানুষের জন্য কিছু করতে চাই”।