২১শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৮ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

বিদ্যুৎতের সারচার্জ মওকুফ হবেনা জুনের পর থেকে


ফটোনিউজবিডি ডেস্ক: | PhotoNewsBD

১০ জুন, ২০২০, ২:৩৫ অপরাহ্ণ

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল মাসের বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে বিলম্ব মাশুল বা সারচার্জ জুন-২০২০ পর্যন্ত মওকুফ করেছিল বিদ্যুৎ বিভাগ। এ সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

বুধবার (১০ জুন) দুপুরে আগামী অর্থবছরের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বাজেট সংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরার বিষয়ে আয়োজিত ভার্চুয়াল এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এখন মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছেন। আর তিনমাসের বিল জমে থাকায় আমাদেরও (মন্ত্রণালয় ও বিভাগ) সমস্যা হচ্ছে। তাই সারচার্জের সময়সীমা বাড়ানোর আর কোনো সুযোগ নেই।

এ সময়ে বিল পরিশোধ না করা গেলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিন মাসের বিল একত্রে পরিশোধের জন্য এ সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। গ্যাস-বিদ্যুতের বকেয়া বিল ৩০ জুনের মধ্যেই দিতে হবে। সেক্ষেত্রে নিয়মে যা আছে, তাই প্রয়োগ হবে।

করোনা পরিস্থিতিতে এ পর্যন্ত বিদ্যুৎ খাতের ৯৫ শতাংশ এবং জ্বালানি খাতের ৭০ শতাংশ এডিপি (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) বাস্তবায়ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের সঞ্চালন ও বিতরণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে আসন্ন ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে। এতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য মোট ৩০ হাজার ৭৩৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি জানান, বিদ্যুতে ২৭ হাজার ৫৯৭ কোটি এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতে ৩ হাজার ১৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।  এডিপির ৭০ শতাংশই থাকছে সঞ্চালন ও বিতরণ খাতে। সঞ্চালন ও বিতরণে বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে ১৮ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। বিদ্যুৎখাতের ৯৩টি প্রকল্পের জন্য ২৭ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকা এবং জ্বালানি খাতের ২৪টি প্রকল্পের বিপরীতে ৩ হাজার ১৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। জ্বালানি খাতের বরাদ্দের মধ্যে ২৬০ কোটি টাকার সংস্থান হবে গ্যাস উন্নয়ন তহবিল থেকে।