১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং | ২রা পৌষ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৮ই রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী

মোদিকে নতুন করে চেনাল টাইম ম্যাগাজিন!


আন্তর্জাতিক ডেস্ক | PhotoNewsBD

১০ মে, ২০১৯, ৯:৫১ অপরাহ্ণ

ভারতে সাত দফার লোকসভা নির্বাচনের বাকি আর মাত্র দুটি দফার ভোটগ্রহণ। এর মাঝেই আমেরিকার টাইম ম্যাগাজিনের আগামী সংখ্যার মলাট কাহিনী নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক চলছে।

 

টাইম ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ কাহিনীর শিরোনাম ‌”ইন্ডিয়া’জ ডিভাইডার ইন চিফ”। সঙ্গে রয়েছে মোদীর একটি ছবিও। নরেন্দ্র মোদি সরকারের পাঁচ বছরের নানান তথ্য সম্বলিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে টাইম ম্যাগাজিনের এই ইস্যুতে।

 

এত দিন বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি মোদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলতেন, ভারতের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বিভেদের রাজনীতি করেন। ম্যাগাজিনের এই প্রচ্ছদ কাহিনীতেও সেই অভিযোগই মান্যতা পাওয়ায় সমালোচনায় সরব বিরোধীরা। কংগ্রেসের মহিলা শাখা শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে টুইট করেছে, ‘‌সর্ববৃহৎ গণতন্ত্র এই প্রথম ভারতে জনপ্রিয়তায় পড়ল। আপনার সত্য এখন সবাই দেখতে পাচ্ছে।’‌

 

ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে এভাবে মোদিকে চিহ্নিত করায় অস্বস্তি বেড়েছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের।

 

টাইম ম্যাগাজিনে এই প্রতিবেদনটি লিখেছেন আতিশ তাসির। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্র আগে কখনও এভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েনি। একাধিক গণপিটুনির ঘটনা থেকে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মুখ্যমন্ত্রী পদে নিয়োগ এবং ভোপালের প্রার্থী হিসাবে সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুরের হয়ে যেভাবে ব্যাট করা হয়েছে তা তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে। আগেও মোদিকে নিয়ে প্রতিবেদন ও প্রচ্ছদ করেছিল এই ম্যাগাজিনটি। সেগুলি অবশ্য মোদির পক্ষেই। আর এবার ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে যা প্রচ্ছদ হল তা ভাবিয়ে তুলেছে ১৯ মের নির্বাচনকে। কারণ সেদিন বারাণসী কেন্দ্রেও নির্বাচন।

 

ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ কাহিনী যখন ভারত ভাগ করার প্রধান, তখন তার ভেতরে অবশ্য ইতিবাচক প্রতিবেদনও ঠাঁই পেয়েছে। যে প্রতিবেদনটির শিরোনাম- “মোদি ইজ ইন্ডিয়া’জ বেস্ট হোপ ফর ইকনোমিক রিফর্ম”।

 

টাইম এর ওই ইস্যুটি বাজারে আসবে আগামী ২০ মে। তখন অবশ্য, লোকসভার ভোটগ্রহণ শেষ হয়ে যাওয়ার পর চলবে ফলাফলের প্রতীক্ষা। তবে তার আগেই টাইম এর ডিজিটাল মাধ্যমে ওই প্রতিবেদন চলে এসেছে।