২০শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১০ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

মৌলভীবাজারে ৫৪২ টি পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার: | PhotoNewsBD

২৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৯:১৬ অপরাহ্ণ

কভে নিজের ঘরে মাথা ঠাই হবে সেই স্বপ্ন গৃহহীন পরিবারগুলোর। সেই অধরা স্বপ্ন মুজিব শতবার্ষিকীতে বাস্তবে রুপ নিয়েছে তাদের। স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রত্যেকটি পরিবারকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে দুই শতক জমিসহ স্বপ্নের পাকা ঘর।
শনিবার (২৩ জানুয়ারি) দেশের ৭০ হাজার পরিবারের সাথে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মৌলভীবাজারের এ ঘরগুলো উদ্বোধন করেন।।
এ উপলক্ষে শনিবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে মৌলভীবাজারে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক সভার আয়োজন করা হয়। যেখান থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মূল অনুষ্ঠানে যোগ দেন সংশ্লিষ্টরা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসন মীর নাহিদ আহসান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য নেছার আহমদ, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান সহ অতিথিবৃন্দ। এসময় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আজকে আমার অত্যন্ত আনন্দের দিন। গৃহহীন পরিবারকে গৃহ দিতে পারছি, এটি আমার সবচেয়ে আনন্দের। আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানুষের কথাই ভাবতেন। আমাদের পরিবারের লোকদের চেয়ে তিনি গরীব অসহায় মানুষদের নিয়ে বেশি ভাবতেন এবং কাজ করেছেন। এই গৃহ প্রদান কার্যক্রম তারই শুরু করা।’
মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে গৃহহীনদের জন্য মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় তৈরি হচ্ছে ৪৭৬টি ঘর। আর পুরো জেলায় ১১২৬টি। আজ জেলার ৭টি উপজেলায় ৫৪২ টি পরিবারকে তাদের ঘর বুঝিয়ে দেয়া হয়। এ উদ্যোগে শুধু সদর উপজেলায় উদ্ধার হয়েছে ৩৯ একর খাস জমি।
এদিকে এ কর্মসূচির আওতাধীন যে ঘরগুলো এখনো প্রস্তুত হয়নি বাকি ঘরগুলোও নির্মাণাধীন। দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে কাজ। কাজের মান নিশ্চিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্টরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রকল্প এলাকা নিয়মিত পরিদর্শন করছেন।
প্রতিটি ঘরে ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করে। ১১২৬ টি ঘরে মোট ব্যয় হবে ১৯ কোটি ৭০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে বেশিরভাগ ঘরেরই নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকিগুলো নির্মাণাধীন রয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি ঘরগুলো নির্ধারিত ভূমি ও গৃহহীনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তবে উপকারভোগীদের মধ্যে যাদের জমি আছে, তারা শুধু ঘর পাচ্ছেন। যাদের জমি নেই, তারা ২ শতাংশ জমি (বন্দোবস্ত) পাচ্ছে। সরকারের নির্ধারিত একই নকশায় হচ্ছে এসব ঘর। এতে রান্নাঘর, সংযুক্ত টয়লেট থাকছে। টিউবওয়েল ও বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হচ্ছে এ প্রকল্পে।
খাসজমিতে গুচ্ছ ভিত্তিতে এসব ঘর তৈরি হচ্ছে। কোথাও কোথাও এসব ঘরের নাম দেওয়া হচ্ছে ‘স্বপ্ননীড়’, কোথাও নামকরণ হচ্ছে ‘শতনীড়’, আবার কোথাও ‘মুজিব ভিলেজ’।