২০শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

সেন্টমার্টিনে বাড়ছে বাতাস, আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছে মানুষ


সংবাদদাতা | PhotoNewsBD

৩ মে, ২০১৯, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ

ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে উত্তাল সাগরে সন্ধ্যার পর থেকে বাতাসের গতি বেড়ে যাওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছেন কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপের মানুষ। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০ জনের মতো আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন। শাহপরীর দ্বীপে শতাধিক ব্যক্তিকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রবিউল হাসান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, ‘সন্ধ্যার পর থেকে দ্বীপে বাতাস বেড়েছে। লোকজন আশ্রয় নেওয়ার জন্য কেন্দ্রের দিকে ছুটছেন। ঘূর্ণিঝড় এলে দ্বীপের বাসিন্দাদের নির্ঘুম রাত কাটে। আগের তুলনায় দ্বীপের অবস্থাও ভাল না। তাছাড়া সাগরে সামান্য পানি বাড়লে দ্বীপের চারদিকে ভেঙে যায়।’

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, ‘উপকূলের লোকজনকে সরিয়ে দ্বীপের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তাছাড়া দ্বীপে বৃষ্টি না হলেও বাতাস শুরু হয়েছে। তবে ইউনিয়ন পরিষদের একটি টিম, রেডক্রিসেন্টের লোকজন ও দ্বীপের দায়িত্ব থাকা বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছে।’

এ প্রসঙ্গে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রবিউল হাসান বলেন, ‘এখনও যারা আশ্রয়কেন্দ্রে যায়নি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্বেচ্ছাসেবী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় তাদেরও নিয়ে যাওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দ্বীপের লোকজন যাতে আশ্রয় নিতে পারে, সেজন্য স্কুল, আবহাওয়া অফিস, ডাকঘর ও হোটেলগুলো খোলা রাখতে বলা হয়েছে।’

জানা যায়, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। একইসঙ্গে কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।