১৮ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৫ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মামলার আসামি হলেন এমডি প্রশান্ত


| PhotoNewsBD

৮ জানুয়ারি, ২০২০, ৬:২৫ অপরাহ্ণ

প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মামলার আসামি হলেন এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক লিমিটেড ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদার।

ক্যাসিনো কাণ্ডের অভিযানের ধারাবাহিকতায় এ নিয়ে ২০টি মামলা দায়ের করলো দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে তার বিরুদ্ধে ওই অভিযোগে অবৈধ সম্পদ ও মানিল্ডারিং আইনে মামলাটি সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী। দুদকের জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি রাইজিংবিডিকে নিশ্চিত করেছেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রশান্ত কুমার হালদার বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৫ টাকার অবৈধ সম্পদ তার নিজ দখলে রেখেছেন। যা দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

উক্ত অপরাধলব্ধ আয়ের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি, অবস্থান, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ, উৎস গোপন বা আড়াল করতে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করে মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত অপরাধ করেছেন। এক্ষেত্রে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২), ৪(৩) ধারায় অপরাধ করেছেন বলে দুদকের কাছে প্রতিয়মান হয়েছে।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালীদের গ্রেপ্তার হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ক্যাসিনোর মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনকারীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়।

এছাড়া আরো যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে তারা হলেন- ঠিকাদার জি কে শামীম, বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূইয়া, অনলাইন ক্যাসিনোর হোতা সেলিম প্রধান, বিসিবি পরিচালক লোকমান হোসেন ভূইয়া, কলাবাগান ক্লাবের সভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজ, কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান, তারেকুজ্জামান রাজীব, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, এনামুল হক আরমান, যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার সুমা, কাউন্সিলর এ কে এম মমিনুল হক সাঈদ, যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক আনিসুর রহমান ও তার স্ত্রী সুমি রহমান, ব্যবসায়ী মো. সাহেদুল হক এবং গণপূর্তের সিনিয়র সহকারী প্রধান মো. মুমিতুর রহমান ও তার স্ত্রী মোছা. জেসমীন পারভীন ।

কমিশনের পরিচালক সৈয়দ ইকবালের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি টিম অনুসন্ধানের দায়িত্ব পালন করছেন। অপর সদস্যরা হলেন- উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. সালাহউদ্দিন, গুলশান আনোয়ার প্রধান, সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম, আতাউর রহমান ও মোহাম্মদ নেয়ামুল আহসান গাজী।